Header Ads Widget

Responsive Advertisement

সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদী-খাল দখল উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারে নাগরিক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদী-খাল দখল উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারে নাগরিক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এসময় নীতিমালা বর্হিভুত মাছের ঘের ও নদী খালের অবেধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসনিক ব্যাস্থা গ্রহনের দাবী।

শনিবার (১লা আগষ্ট) সকালে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আয়োজনে জেলার জলাবদ্ধতা দুরিকরনে ও নদী খাল দখল মুক্ত করতে  সাতক্ষরিা পাবলিক লাইব্রেরিতে নাগরিক  পরামর্শসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এড. আজাদহোসেন বেলাল এর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা এর জেলা সম্পাদক মাধব চন্দ্র দত্ত এর সঞ্চালনায়  সুচনা বক্তব্য রাখেন বাপা সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আহবায়ক ও জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এড. আবুল কালাম আজাদ ।

 মাধব চন্দ্র দত্ত লিখিত বিষয় ভিত্তিক ধারনাপত্র পাঠ করেন হেড সংস্থার পরিচালক লুইস রানা গাইন। অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন নাগরিক ব্যক্তিত্ব কিশোরী মোহন সরকার, অধ্যক্ষ আঃ হামিদ, অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহি, বেলার আঞ্চলিক সমন্বয়ক  মাহাফুজুর রহমান মুকুল, প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পী,সাবেক প্রেসক্লাব সভাপতি  আবুল কাসেম, , সুজন জেলা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্বল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ইদ্রিস আলিী, নারী নেত্রী ফরিদা আকতার বিউটি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবু, উদিচীর আহবায়ক সিদ্দীকুর রহমান,ভুমিহীন নেতা আঃ সামাদ, উন্নয়ন কর্মি মফিজুর রহমান, এড. আসাদুজ্জামান দিলু, এড, আঃ হাবিব, রেশমা খাতুন, এড, মনির উদ্দীন, সুশিলনের সহকারি পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান,ভুক্তভুগি জলাবদ্ধতা এলাকার প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কামু,জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

নাগরিক পরামর্শ সভার আয়োজন সহযোগিতা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), এএলআরডি এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) স্বদেশ, হেড,সিডো, উত্তরন, সুশিলন,মৌমাছি, সামস, প্রগতি ,সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, অর্জন ফাউন্ডেশন, বেতনা সুরক্ষা ও নদীবাঁচাও আন্দোলন, সৃজনী মহিলা লোককেন্দ্র, উদ্দীপ্ত মহিলা সংস্থা,ইনভারনমেন্ট প্রটেকশন ফোরাম-ইপিএফ, প্রাণসায়র ও পরিবেশ সুরক্ষা কমিটি, সাতক্ষীরা। পরামর্শ সভা থেকে সমস্যা  ও সুপারিশ গুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। 

 সমস্যাসমূহনদী ও খালের অবৈধ দখল এবং ভরাট। নদীর নাব্যতা হ্রাস ও পলি জমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া। অপরিকল্পিত বাঁধ, সড়ক ও কালভার্ট নির্মাণ। খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণের অভাব। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়িত না হওয়া। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি। 

প্রধান সুপারিশ, জেলার সকল নদী ও খালের সীমানা নির্ধারণ ও ডিজিটাল মানচিত্র প্রস্তুত। অবৈধ দখল উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা। নীতি নির্ধ্ধারনী পর্যায়ে প্রশাসনিক সংলাপ করা।নদী ও খাল পুনঃখননের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় বৈজ্ঞানিক ড্রেনেজ পরিকল্পনা। পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়া বড় অবকাঠামো নির্মাণ না করা। নদী ও খাল সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা। বিদ্যালয় ও কলেজে নদী সংরক্ষণবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা। 

জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনার সঙ্গে পানি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিত করা। প্রতি বছর নাগরিক পর্যালোচনা সভা আয়োজন করা। সকল প্রকার খাস জলাভুমি ও খালের লিজ বাতিল করা এবং জেলার সকল প্রকার প্রাকৃতিক ঝুঁকি মোকাবেলায় আগামী ৫০ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ