Header Ads Widget

Responsive Advertisement

সাতক্ষীরায় ঔষধ বিক্রয়ে সিন্ডিকেট-বিপাকে সাধারণ মানুষ

 



সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :: 


সাতক্ষীরায় অসুস্থতাকে পুঁজি করে ঔষধ নিয়ে চলছে সিন্ডিকেট। ঔষধের গায়ে লেখা মূল্য তালিকা থেকে ভোক্তাদের জন্য বহু বছর ধরে চলমান ১০% ছাড়ের থেকে করা হয়েছে ৫% ছাড়। দোকানগুলোতে ঔষধ ক্রয়ে অসুবিধায় পড়ছে সাধারণ মানুষ। সুবিধা নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। 


স্থানীয় ক্রেতা জানিয়েছেন, আগে ঔষধ কিনতাম ১০% ছাড়ে এখন কিনতে হচ্ছে ৫% ছাড়ে। ঔষধের দাম ৫% এ বেশি কিনতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। এমনকি অনেক দোকানদার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ঔষধের দাম আরো বেশি নিচ্ছে। জেলাজুড়ে চিত্র একই। অপরদিকে খুলনা জেলাতে চলছে ১০% ছাড়ে ঔষধ বিক্রয়। ঔষধ সিন্ডিকেট নিয়ে সাধারণ জনগণ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 



নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরা তালার ঔষধ দোকানদাররা জানান, সাতক্ষীরা জেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি গত ২৪ সালের আগষ্টের পরে ৫% ছাড়ের নিয়ম চালু করেছে। যাহা আগে ঔষধের গায়ে লেখা মূল্য তালিকা থেকে ভোক্তাদের জন্য বহুবছর থেকে চলমান  ১০%  ছাড়ে। গরীব দু:খী  রোগীদের অসুস্থতাকে পুজি করে  ভোক্তাদেরকে জিম্মি করে ফেলেছে এবং নতুন উদ্ভাবিত সিন্ডিকেট চালানোর পায়তাড়া করছে।  আশে পাশের বাজার আঠারোমাইল, চুকনাগর, কপিলমুনিতে পূর্বের ন্যায় ১০% কমিশন চলছে।


 তিনি আরও জানান, মেডিসিন বিজনেসটাকে নষ্ট করার পায়তারা করছে এই সমিতি। সমিতির নিয়ম না মানলে দোকানদারদের সাথে খারাপ ব্যবহার সহ সাদা কাগজে ৫০০,১০০০ টাকা জরিমানা করছে।


পরিচিত গরিব মানুষের কাছে লাভ করব কিনা এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি অনেককে দেখেছি, চাল কিনতে পারেনা কিন্তু  ওষুধ কিনে হয়। তখন মানবিক বিষয়টি কাজ করে। অপরদিকে সাতক্ষীরার ঔষধ দোকানদার জানান, আগে ১০% ছাড়ে ঔষধ বিক্রি করতাম এখন ৫% ছাড়ে বিক্রি করি। এতে আমাদের লাভ হয় বেশি। সমিতি একটা ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 



সরকার নির্ধারিত মূল্যে ঔষধ বিক্রয়ের বাস্তবায়ন কমিটির আহবায় সিদ্দিকুর রহমান জানান, আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে ঔষধ বিক্রয় বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি সাতক্ষীরা জেলায়। যারা টেন পাচ্ছেন ছাড়ে বিক্রয় করছে তাদের আমরা জরিমানা  করছিনা, তবে উপজেলা কমিটি কিছু টাকা নিচ্ছে পিকনিক করার জন্য। 



তালা উপজেলার কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি সভাপতি আনিসুল রহমান বলেন, আমরা অফিসিয়ালি জরিমানা করিনি কাউকে। তবে পিকনিক করার জন্য চাঁদা নির্ধারণ করা হয়।যারা ১০% ১২% ছাড়া বিক্রি করে বাজারের ভারসাম্য রক্ষার জন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ